কুকুর সম্পর্কে কিছু অবাক করা তথ্য

মানুষের সঙ্গী কোনো প্রাণীর কথা বললে প্রথমেই আসে কুকুরের নাম। পাহারা দানে সক্ষমতা, প্রভু ভক্তি ও অন্যান্য কাজে দক্ষতার কারণে কুকুর মানুষের খুব কাছাকাছি থাকার সুযোগ বেশি পায়। কুকুর সম্বন্ধে কিছু তথ্য নিয়ে আজকের আয়োজন।

ঘ্রাণ কেন্দ্র মানুষের চেয়ে ৪০ গুণ বড়

Source- petcare.com
কুকুর তার ঘ্রাণশক্তি দিয়ে মাদক দ্রব্য খুজছে

কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি মানুষের ঘ্রাণ শক্তির চেয়ে বেশ উন্নত। তাদের নাকের মধ্যে লক্ষ লক্ষ সুগন্ধি রিসেপ্টর আছে। যেখানে একজন মানুষের মধ্যে রয়েছে গড়ে ৫ লক্ষ রিসেপ্টর, সেখানে কুকুরের ক্ষেত্রে আছে ১২৫ লক্ষ রিসেপ্টর। এগুলো কুকুরকে সহজেই মাদক খুজে, মৃত ব্যাক্তি, ছারপোকা, বিষ্ফোরক দ্রব্য সহ অনেক কিছু সহজে খুজে পেতে সাহায্য করে।

নাক কখনো এক নয়

প্রতিটি মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট আলাদা আলাদা। একজনের সাথে আরেকজনেরটা কখনোই মিলবে না। তাই ফ্রিঙ্গার প্রিন্ট দেখে মানুষকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়। একইভাবে প্রতিটি কুকুরের নাকের খাজ এবং ভাজ আলাদা।

কুকুর স্বপ্ন দেখে

হয়তো কখনো লক্ষ্য করেছেন, কুকুর ঘুমাতে ঘুমাতে ঝাকিয়ে উঠছে, তারপর আবার ঘুমাচ্ছে তাহলে বুঝবেন সে সম্ভবত স্বপ্ন দেখছে। গবেষকরা বলছেন, মানুষের সাথে কুকুরের ঘুমানোর ধরন ও মস্তিষ্কের কার্যকরিতার অনেক মিল আছে। ছোট প্রজাতির কুকুগুলো বড় প্রজাতির কুকুরের চেয়ে বেশি স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নের মধ্যে ইদুর তাড়া করা, মশাকে মুখ দিয়ে ধরার চেষ্টা করা, মালিকের সাথে খেলা করা সহ অনেক কিছুই স্বপ্নে উপলব্ধি করতে পারে তারা।

Source- petgen.com
কুকুর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছে।

কুকুরেরা স্মার্ট

গবেষক স্ট্যানলি কোরেনের মতে, আপনার ছোট বাচ্চা যেমন কিছু শব্দ বলতে পারে তেমনই কুকুরের মস্তিষ্কও এমন করতে পারে। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, মানুষের ছোট বাচ্চা যেমন ভাল বন্ধুদের চিনতে পারে, অল্প কিছু শব্দ বলতে পারে ঠিক তেমনই কুকুরও তা করতে পারে।

লেজ নাড়ানো তার নিজস্ব ভাষা

কুকুর যদি ইচ্ছেমতো লেজ দিয়ে আপনার পায়ে ঝাঁকুনি দেয়, তাহলে বুঝবেন সে আপনার উপর অনেক খুশি। আপনি ঠিকমত তার পরিচর্যা করেছেন। ডিসকভারির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যখন কুকুর খুশিতে থাকে তখন সে ডান দিকে লেজ নাড়ায়, আর যখন সে ভীত সন্ত্রস্ত হয় তখন বাম দিকে লেজ নাড়িয়ে থাকে। নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে সে নীচের দিকে লেজ নাড়ায়। লেজ নাড়ানোর উপর ভিত্তি করে কুকুরের শরীরের শক্তির অবস্থা বোঝা যায়।

What does it mean when a dog wags its tail? How do you interpret dog wagging tail behavior? Find out why dogs wag their tails by visiting our website.

জন্মের সময় অন্ধ ও বধির থাকে

নতুন জন্ম নেয়া কুকুরের বাচ্চার চোখ ও কান বন্ধ থাকে। পরে ধীরে ধীরে এসব অঙ্গের উন্নতি ঘটলে তারা দেখতে ও শুনতে পায়। বেশিরভাগ বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রায় ২ সপ্তাহ বয়সের পর তাদের চোখ ফোটে এবং ডাকে সাড়া দেয়।

তুখোড় ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়

মানুষের আছে পঞ্চ ইন্দ্রিয়। দেখা, শোনা, স্বাদ নেওয়া, কথা বলা, ও স্পর্শের অনুভূতি আছে। এগুলোর বাইরেও অবশ্য অনুভূতি আছে, যেমন অভিকর্ষের টান অনুভব করা ইত্যাদি। কুকুরের মধ্যে একটা ব্যতিক্রমী ইন্দ্রিয় আছে। পুর্বাভাসের ব্যাপারে তারা অনেকটা এগিয়ে। বিশেষত প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন, ঝড়ের আগে, বৃষ্টির আগে, জলোচ্ছ্বাস এমনকি ভূমিকম্পের আগে তাদের অদ্ভুত আচারণ পরিলক্ষিত হয়।

২০১০ সালের এক জরিপে কুকুরের মালিকরা অনেক আশ্চর্যজনক তথ্য দিয়েছেন। শতকরা ৬৭ ভাগ মালিক জানান ঝড়ের পুর্বে তাদের কুকুরগুলো অদ্ভুত আচরণ প্রকাশ করে। আর ৪৩ শতাংশ মালিক জানান খারাপ অবহাওয়ার অনেক আগে থেকেই তাদের কুকুর অদ্ভুত আচরণ করে। এমন পরিস্থিতে তারা চিৎকার করে, অস্তিরতা দেখায় এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করে।

ঘামগ্রন্থী আছে থাবার মাঝে

কুকুরের ঘামগ্রন্থী থাকে তাদের পায়ের থাবায়। সেখান থেকে শরীরের অতিরিক্ত তাপ বের হয়ে যায়।

শস্য দানার গন্ধ

কুকুরের পায়ের থাবায় ব্যাকটেরিয়ার সাথে ঘাম একত্রে দীর্ঘক্ষণ থাকলে অনেক সময় শস্যের মতো গন্ধ সৃষ্টি হয়। এটকে ‘ফ্রিটো ফিট’ নামে অভিহিত করা হয়।

কুকুরের শ্বাসপ্রশ্বাস অস্বাস্থ্যকর

আপনি হয়তো আপনার কুকুরের শ্বাসপ্রশ্বাস ও মুখের গন্ধকে সবসময় স্বাস্থ্যকর মনে করেন। কিন্তু না, অনেক সময় তাদের শ্বাস প্রশ্বাসের গন্ধ কোনো রোগের সংক্রমণ ইংগিত করে। যদি দীর্ঘদিন শ্বাস প্রশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে তাহলে বুঝতে হবে তাদের দাঁতের রোগ বা মুখের মধ্যে কোনো সমস্যা হয়েছে। আপনি যদি আপনার কুকুরের দাঁত এখনো পরীক্ষা না করিয়ে থাকেন তাহলে সেটা ভাবনার বিষয়। প্রতি বছরই একজন ভেটেরিনারিয়ান দ্বারা আপনার কুকুরের দাঁত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

The nose of Finnegan, a mixed-breed dog owned by Alexandra Horowitz, the author of “Being a Dog: Following the Dog into a World of Smell,” in New York, Oct. 5, 2016. A walk in the park with Horowitz and her pet also gives insight as to why canines avidly sniff things like toes, rears and corpses. (Katie Orlinsky/The New York Times)

কুকুরের ক্ষেত্রে মল খাওয়াটা স্বাভাবিক

কুকুর পালনের ক্ষেত্রে কারো কারো অরুচি ভাব প্রকাশ পায়। তাদের অভিযোগ কুকুর নিজের মল বা বিষ্ঠা জাতীয় পদার্থ খেয়ে থাকে। কুকুর নিজের মল খায় এটা গোপন কোনো বিষয় নয়। যদিও এটাকে বাস্তবিক পক্ষে অনেক খারাপ বিষয় মনে হতে পারে কিন্তু আমেরিকান সোসাইটি ফর দ্যা প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি অব এনিমেল (ASPCA) এর বিশেষজ্ঞদের মতে এটা খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। হাজার হাজার বছর আগে যখন কুকুরকে গৃহপালিত ছিল না, তখন তাদের মধ্যে এই স্বভাবটার জন্ম হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা। বাচ্চা কুকুরদের মধ্যে এই স্বভাব বেশি দেখা যায় এবং বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে সেটি কমে যায়।

বিশেষ গন্ধ

কুকুরের শরীরের পেছনের অংশে বিশেষ ধরনের গ্রন্থী থাকে। তা থেকে নি:সৃত গন্ধ তাদের সীমানা নির্ধারন ও অন্যদের চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। তাই প্রবাদে বলে, এলাকার কুকুর অন্য এলাকায় গেলে তার বুঝতে পারে এবং খুজে বের করে তাদের তাড়িয়ে দেয়।

নিদ্রাহীনতা দূর করে যেসব খাদ্য

ঘুম হলো শান্তির বাহন। ক্লান্তি দূর হয়ে প্রশান্তি ফিরে আসে এই ঘুমে। ঘুম স্মৃতিশক্তি ও মেধাশক্তি বাড়ায়। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের সকল কোষ ও কার্যক্রম ঠিক রাখে। সারাদিনের ক্লান্তিকর খাটুনি বা মানসিক পরিশ্রমের অবসান ঘটে ঘুমের মাধ্যমে। সুস্থতা ও সুন্দর জীবনের জন্য ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বর্তমানে নানা কারণে নিদ্রাহীনতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। হতাশা, দুশ্চিন্তা সহ নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক জটিলতার অন্যতম কারন নিদ্রাহীনতা। ফলে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তাই ঘুমের সমস্যা সমাধানের কিছু উপকারি টিপস নিয়ে এই আয়োজন।

যে সমস্ত উপাদান ঘুমের জন্য সহায়ক তা হলো-

ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ

Natural-Sleep-Aids-to-Help-You-Fall-Asleep-Faster
TATIANA AYAZO/RD.COM

ঘুমের সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধানে ম্যাগনেশিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। ম্যাগনেশিয়াম পেশির সংকোচন এবং রিলাক্সেশনে বড় ভূমিকা পালন করে। এক গবেষণায় দেখা যায়, ম্যাগনেশিয়াম ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণ বাড়াতে সাহায্য করে। কম ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণের সাথে নিদ্রাহীনতার সম্পর্ক বিদ্যমান। যারা সারা রাত জেগে থাকে, ঘুমাতে পারে না তাদের জন্য কার্যকরী উপায় হলো ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণের পরিমাণ বাড়ানো। ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণ বাড়ালে ঘুম না আসা ও নির্ঘুম রাত কাটানোর সমস্যা দূরীভূত হবে। তাছাড়া নিয়মিত পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণ করলে রেস্টলেসনেস লেগ সিন্ড্রোমের মতো সমস্যাও অনেকটা কমবে।

ক্যালশিয়াম গ্রহণ

দই বানিয়ে ফেলুন। এটি আপনার ভালো বন্ধু হবে। উপকারি ব্যাকটেরিয়ায় ভরপুর ক্যালসিয়ামপূর্ণ খাবার ঘুমাতে সাহায্য করে। এই মিনারেল ব্রেনকে ট্রিপ্টোফ্যান অ্যামাইনো অ্যাসিড ব্যবহারে সহায়তা করে মেলাটোনিন হরমোন উৎপন্ন করে। অপর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামের কারণে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ কম হয় ফলে ঘুমের ঘাটতি দেখা যায়। ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সম্পন্ন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভিটামিন ডি গ্রহণ

ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে ঘুমের গুণগত মান ও পরিমাণ কমে যায়। পাশাপাশি দিনের ক্লান্তি ও তন্দ্রাভাব বৃদ্ধি পায়। এক বিশেষজ্ঞের মতে, এই উপাদানের ঘাটতির সাথে মেজাজের ভারসাম্যহীনতার সম্পর্ক আছে ফলে তা ডিপ্রেশন বাড়ায় এবং পরবর্তীতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ও নিদ্রাহীনতার জন্ম দেয়।

ভিটামিন সি

Natural-Sleep-Aids-to-Help-You-Fall-Asleep-Faster
TATIANA AYAZO/RD.COM

ভিটামিন সি আপনার শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাটকে মেটাবলাইজ করে। কিন্তু এটাও যে আপনার ঘুমের উপকার করে তা কি জানেন? বিজ্ঞানী ওয়েড-এর মতে, ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গবেষণায় দেখা যায় রক্তে বেশি মাত্রায় ভিটামিন সি থাকলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের ক্ষরণ কম হয় এবং দ্রুত স্ট্রেস কাটিয়ে প্রশান্তি দিতে পারে। যেহেতু বেশি মাত্রায় কর্টিসল নিদ্রাহীনতার জন্ম দেয় তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

আয়রন

শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে রেস্টলেস লেগ সিন্ড্রোমের (আরএলএস) ঝুঁকি বাড়ে। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরো বেশি। আরএলএসের অন্যতম লক্ষণ হল ঘুমাতে না পারা ও নির্ঘুম থাকা। খাবারের সাথে আয়রন বেশি খেলে আর এল এস হওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং ঘুম ভালো হয়।

মাছ

মাছ খাওয়া ঘুমের পক্ষে ভালো কাজ করে। শুধু তাই নয়, রাতে মাছ খেলে আপনার মেধাশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে। গবেষণায় দেখা যায়, মাছ খাওয়ার সাথে ভালো ঘুম, মেধাশক্তি ও আইকিউ-এর একটি ইতিবাচক সম্পর্ক আছে।

চেরি ফলের জুস

চেরি ফলের জুস ঘুমের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন এক গ্লাস চেরি ফলের জুস খেলে অন্তত ৫০ মিনিট বেশি ঘুম হয়। ঘুমের গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়। যেকোন জুস খাওয়ানো যেতে পারে এক্ষেত্রে।

রিবোফ্লাভিন

রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি২ গ্রহণের ফলে প্রস্রাবের রঙ উজ্জ্বল হলদে আকার ধারণ করে। রিবোফ্লাভিন আপনার ঘুমে যথেষ্ট সহযোগীতা করে। রিবোফ্লাভিন সমৃদ্ধ গরু ও খাসির কলিজা এবং পর্যাপ্ত দুধ খেলে ঘুমের প্রশান্তি ফিরে আসবে।

অশ্বগন্ধা

Natural-Sleep-Aids-to-Help-You-Fall-Asleep-Faster
TATIANA AYAZO/RD.COM

ইন্ডিয়া সহ অনান্য দেশে হার্বাল ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন হিসাবে অশ্বগন্ধার বেশ সুনাম রয়েছে। এটাকে নিদ্রাহীনতার উপযুক্ত ওষুধ মনে করেন হার্বাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা। এতে ম্যাজিকের গতিতে ফল পাওয়া যায়। পশ্চিমা বিজ্ঞানীরা ক্লিনিক্যাল প্রমাণ দিয়ে অশ্বগন্ধার এমন ঘুম বৃদ্ধির ক্ষমতা আছে বলে সমর্থন দিয়েছেন।

তাজা আখের রস

তাজা আখের রসে যে পরিমাণ অক্টাকোসানল উপাদান আছে যা উন্নত ঘুমের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অথচ প্রস্তুতকৃত চিনিতে এ ধরনের উপাদান নেই। সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, আখের রসের মধ্যে সবুজের মাঝে যে সাদা আবরণ থাকে তা অক্টাকোসানলের উত্তম উৎস। এই উপদান ঘুম বৃদ্ধিতে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। এটা আপনার শরীরের স্ট্রেস   কমিয়ে  ঘুমাতে সাহায্য করে।

মৌরি

সাধারণ চিকিৎসায় ও মায়েদের স্বাস্থ্য রক্ষায় মৌরির ব্যবহার অতুলনীয়। এটি গর্ভবতী মায়েদের বাচ্চা প্রসবকালীন সমস্যা সমাধান করার পাশাপশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। অন্য গবেষণায় প্রমাণিত যে, মৌরি ঘুমের ঘাটতি পূরণে এবং নিদ্রাহীনতায় টনিকের মত কাজ করে।

তথ্যসূত্র: রিডার ডাইজেস্ট

মৌমাছির মধুর রহস্য

মৌমাছি মধু তৈরি করে, এটা সকলেই জানে। কিন্তু কারো কি জানতে ইচ্ছে হয়েছে কেন তারা এই মধু বানায়? সে উত্তর আমরা জানবো। তার আগে মৌমাছি সম্বন্ধে সামান্য আলোচনা করা দরকার।

প্রতিটি মৌমাছি তাদের সারা জীবনে মাত্র ১/১২ টেবিল চামচ মধু তৈরি করতে পারে। মধু পুষ্টিগুণ সস্মৃদ্ধ ও শক্তিবর্ধক তরল উপাদান। প্রিয় খাবার ও ঔষধি গুণ সম্পন্ন মধুকে ভালবাসে অনেকে। তারা নিয়মিত খেয়ে থাকে মধু। বর্তমানে পৃথিবীতে আফ্রিকানাইজড, বাকফ্যাস্ট, ক্যারনিওল্যান, কাউক্যাসিওন, কর্ডোভান, ইটানিলয়ান এবং রাশিয়ান নামে সাতটি প্রধান প্রজাতি সহ মোট ৪০টি উপপ্রজাতির মৌমাছি আছে।

অন্যদিকে, বাম্বল-বি ভ্রমর মধু বানায় না। তারা শুধু ফুলের মধু (নেকটার) সংগ্রহ করে থাকে। তাদের কলোনিগুলো খুব অল্প সময়ের জন্য তৈরি করে, ফলে তারা বেশিদিন মধু সংগ্রহ করতে পারে না। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকায় মেলপিনা নামে হুল ছাড়া এক প্রজাতির মৌমাছি দেখা যায়। এরা বিভিন্ন প্রকৃতির মধু বানায়। যদিও এই মধুর পরিমাণটা সচারচর পাওয়া মৌমাছির মধুর তুলনায় অনেক কম।

মৌমাছি কেন মধু বানায়?

মৌমাছির খাবার হলো মধু এবং পোলেন। নিজেদের খাওয়ার জন্য তারা অতিরিক্ত মধু সংরক্ষণ করে রাখে। মধুতে কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে এবং পোলেনে বেশি থাকে প্রোটিন বা আমিষ। শীতকালে ফুলে মধু কম থাকে। গ্রীষ্মে মধু বানায় শীতের সময় দেহের চাহিদা পূরণের জন্য। কারণ শীতে মধু তেমন পাওয়া যায় না। খুব ঠাণ্ডার সময় তাদের সঞ্চিত মধু খেয়ে জীবন ধারণ করে। শীতে ফুল বেশি থাকলেও, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে তারা উড়ে গিয়ে গিয়ে মধু সংগ্রহ করতে পারে না। তাই তাদের পুরো কলোনির জীবন ধারণের জন্য অনেক মধুর প্রয়োজন পড়ে।

রাণী মৌমাছি অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি মধু খেয়ে থাকে। প্রতিটি মৌমাছির মৌচাকে অন্তত ১০ হাজার মৌমাছি থাকে, যার ফলে তাদের বেচে থাকার জন্য প্রচুর মধুর প্রয়োজন হয়। তাই তারা মধু সংগ্রহ করে এবং জমা রাখে। মধুতে প্রচুর গ্লুকোজ থাকে যা মৌমাছির শক্তি ও সুস্থ্যতা বজায় রাখে। বিরূপ প্রকৃতিতে মৌমাছির জীবন ধারণের জন্য অনেক খাবারের প্রয়োজন পড়ে। উড়তে বেশি শক্তি খরচ হয়। শীতে পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে এদের দেহের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বজায় রাখতে বেশি শক্তি গ্রহণ করে তাপ উতপন্ন করতে হয়। মৌচাকের মধ্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অন্যতম ভুমিকা রাখে মধু।

মৌমাছি আসলে কি খায়? মৌমাছি প্রধানত দুই ধরনের খাবার গ্রহণ করে। পোলেন ও নেকটার।

পোলেন বা পরাগ

পরাগ হলো ফুলের মধ্যে অবস্থিত শুকনো পাউডারের মতো উপাদান। এর রঙ ফুলের উপর নির্ভর করে। ফুল ভেদে এর রঙের ভিন্নতা দেখা যায়। মৌমাছি ফুলের মধ্যে ঘুরে ঘুরে তন্ন তন্ন করে খোজে তা সংগ্রহ করে। একেক ফুলের পরাগের রঙ একেক রকম। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় আফিম ফুলের পরাগ কালো, ডালিয়া ফুলের পরাগ পোড়া মাটির মতো। তারা বাম পায়ের মধ্যে ঝুড়ির মতো অংশে এই পরাগ সংগ্রহ করে। এগুলো প্রোটিনের অন্যতম উৎস। এগুলোকে মৌচাকে সঞ্চিত করে রাখা হয়। কর্মী মৌমাছিরা তাদের মাথা দিয়ে মৌচাকের ষড়ভুজাকৃতির কোষের মধ্যে ভালভাবে প্রবেশ করিয়ে রাখে।

নেকটার বা ফুলের মধু

ফুলের মধ্যে অবস্থিত নেকটারিস গ্রন্থির থেকে গ্লুকোজ পূর্ণ তরল পদার্থ নিঃসৃত হয়, যা মৌমাছি সংগ্রহ করে। মধু প্রস্তুতকারী মৌমাছি ফুল থেকে এই নেক্টার গ্রহণ করে মৌচাকে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার সময় তারা হ্যানি স্টমাক বা মধু পাকস্থালীতে রাখে, তবে এখানে তা হজম হয়ে যায় না। মৌমাছির দুটি পাকস্থলী। একটিতে সে খায় এবং অপরটি মধু তৈরিতে ব্যবহার করে। পরে মৌমাছির মধু থলি থেকে বাসায় থাকা মৌমাছিগুলো গ্রহণ করে।

সুন্দর স্তরে স্বজ্জিত মৌচাকের কোষে নিজের শরীরের পাচক রসের সাথে নেকটার মিশ্রিত করে রাখে। এতপর কর্মী মৌমাছি মধুতে মাত্র ১৮ শতাংশ পানি রাখে বাকিটা পাখার বাতাসে শুকিয়ে রাখে। এভাবেই মধু তৈরি হয়। মৌচাকে মধু তৈরি হওয়ার পরে প্রতিটি কক্ষ মোম দিয়ে আটকিয়ে দেয়। ১২ টা মৌমাছিকে ১ চা চামক মধু তৈরির জন্য নেকটার সংগ্রহের জন্য প্রায় ২৬০০টি ফুলের মধ্যে ঘুরতে হয়।

মৌচাকে অবস্থানরত মৌমাছি

অসংখ্য মৌমাছিকে মধু তৈরির কাজে নিয়োজিত হতে হয় কারণ একটি মৌমাছি তার সারাজীবনে মাত্র ১ চা চামুচের ১২ ভাগের এক ভাগ মধু প্রস্তুত করতে পারে। নেকটার সংগ্রহের পরে মৌমাছি তাদের লালা গ্রন্থির এক প্রকার পাচকরস মিশ্রিত করে। নেকটার জমা করে পাকস্থালীতে এটা অবশ্য খাদ্য থলীর চেয়ে আলাদা।

ফুল থেকে মৌমাছি নেকটার নিয়ে মৌচাকে আসলে সেখানেও অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এক মৌমাছি থেকে নেকটার অন্য মৌমাছিতে হস্তান্তর করে। যতক্ষণ না রস হালকা গাঢ় হয়। শেষে জমাট বাধার জন্য মৌমাছি তাদের পাখনা দিয়ে রসকে ফ্যানের মত বাতাস দিয়ে শুকিয়ে নেয়। পরে মৌচাকের ষড়ভুজাকৃতির সুন্দর স্তরে সজ্জিত কক্ষে জমা করে এবং মোম দিয়ে কক্ষের পথ বন্ধ করে দেয়। মধু প্রস্তুতের সময় চিনির ঘনত্ব বেশি থাকায় কোন প্রকার ব্যাকটেরিয়া ও ছাত্রাক জন্মাতে পারে না। এই কারণেই মধুকে কোনো প্রিজারভেটিভস ছাড়াই দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।

পৃথিবীর তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লে কী হবে?

মানুষসহ সকল প্রাণির জন্য প্রয়োজন সুন্দর পরিবেশ। তাপমাত্রা বা উষ্ণতা পরিবেশের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। খুব কম তাপমাত্রা যেমন বসবাসের অনুপযোগী ঠিক তেমনি উষ্ণতা বৃদ্ধিও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। শীতের দিনে উষ্ণতা পেতে ভালোই লাগে কিন্তু গরমের দিনে আবার সেই উষ্ণতাই অশান্তির কারণ হয়। বর্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইডের নি:সরণ বেশি হওয়ায় তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। পরিবেশবিদদের মতে, বিশ্বের তাপমাত্রা মাত্র ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেলে নানা প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি হবে।

image source: helpsavenature.com

এ কারণেই জলবায়ু বিশ্বের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পদক্ষেপ হিসাবে আন্তর্জাতিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পাদন করেছিল জাতিসংঘ। এই চুক্তির মূল লক্ষ্যই ছিল বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি যেন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম থাকে।

শিল্পায়নের ফলে যখন কারখানার গ্রিন হাউজ গ্যাস বাতাসের সাথে মিশে যাচ্ছে, তার ফলশ্রুতিতে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২০ বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিল জি ৮ (যদিও এটা এখন জি ৭) এর নীতি নির্ধারকরা বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ পরিমাণ বেঁধে দিয়েছে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আবহাওয়া মানুষ ও জীব জগতের সাথে বৈরী আচরণ করবে। কখনো অতিবৃষ্টি, কখনো অনাবৃষ্টি, দাবানল, সাইক্লোন ও টর্ণেডো প্রভৃতি আঘাত হানবে।

কিন্তু এই দুই ডিগ্রী সেলসিয়াস এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? আমরা জানি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে গ্রীন হাউস গ্যাসের প্রভাবে। কিন্তু এর সাথে আসলে ২ ডিগ্রী সেলসিয়াসের সম্পর্কটা কি?

প্রকৃতপক্ষে সব কিছুর একটা নির্দিষ্ট শেষ মান আছে, যে মান পর্যন্ত স্বাভবিক অবস্থা বিরাজ করে। কিন্তু তা অতিক্রম করলেই অবস্থার পরিবর্তন হয়। এই শেষ মানকে থ্রেসহোল্ড বলে। পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির থ্রেসহোল্ড মান হলো ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ১৯৭৫ সালে সর্ব প্রথম এটি নিয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে মত প্রকাশ করে অর্থনীতি বিদ ড. ইউলিয়াম নর্দুয়াস বলেছিলেন, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হুমকি হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতা । ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর এপ্লাইড সিস্টেম এনালাইসিস এর একটি গ্রুপ যারা আন্তর্জাতিক সীমারেখায় নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কর্মরত, তার সহকর্মিদের তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, কিভাবে আমরা কার্বন ডাই অক্সাইড নি:সরণ নিয়ন্ত্রণ করবো? নর্দুয়াস বলেন, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড (মানুষের তৈরি কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা সৃষ্ট) বৃদ্ধি পেলে তা, পৃথিবীর জলবায়ুকে এমন ভাবে পরিবর্তন করবে যা গত কয়েক লক্ষ বছর ধরে কেউ প্রত্যক্ষ করেনি। এক জন অর্থনীতিবিদ হিসাবে নর্দুয়াস গবেষণা করে দেখেন যে, যেভাবে কার্বন ডাই আক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে তা যদি দুইগুণ হয়, সেটা হবে বিশ্বের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধির সম পরিমান।

image source: wattsupwiththat.com

এখন থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিপদজনক অবস্থায় থাকবে পরিবেশ। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বিজ্ঞানীরা বিশ্ববাসীকে মানুষের তৈরি গ্রিন হাউজ গ্যাসের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ভয়াবহতার ব্যাপারে সর্তক করে আসছেন। ১৯৯২ সালে মানব হস্তক্ষেপের ফলে জলবায়ুর বিপদজনক পরিবর্তন বন্ধের লক্ষ্যে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কনভেনশনটি প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছেনা।

নর্দুয়াসের গবেষণার ৪০ বছর পর ২০১৬ সালে জাতিসংঘ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে রাখার পদক্ষেপ নেয়া হয়। ২০ শতকে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ১৮৮০ সালে এই তাপমাত্রা অনেক কম ছিল। ১৯৭৫ সালের পর থেকে প্রতিনিয়ত দশমিক হারে তাপমাত্রা বাড়ছে বলে নর্দুয়াস তার লেখায় উল্লেখ করেছিলেন। ২১ শতকের প্রতিটি বছর, অর্থাৎ, গত ২০ বছর ছিল সর্বোচ্চ উষ্ণতম বছর। ইতোমধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর বৈরি আচরণের স্বীকার বিশ্ববাসী। মানব সৃষ্ট কারণে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে ২০১৭ সালে হারিকেন বেশি আঘাত হেনেছে এবং ১০ গুণ বেশি অনিয়মিত বৃষ্টিপাত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় খরা ও গরমের তীব্রতায় কম বৃষ্টিপাত, শুষ্ক মাটি ও দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে। যদি তাপমাত্রা ২ ডিগ্রীর বেশি বেড়ে যায় তাহলে পৃথিবী অনেক উষ্ণ হবে যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি, কৃষি, কাঠামো ও পরিবেশের উপর। বাস্তুসংস্থান ব্যবস্থার ধ্বংস এবং প্রবালদ্বীপ এবং আর্কটিক এলাকার অনেক প্রজাতি বিপন্ন হবে। গ্রিনল্যান্ড বরফ এবং আর্টিক বরফ দ্রুত গতিতে গলতে শুরু করলে নিচু উপকূলীয় অঞ্চল ও ছোট ছোট দ্বীপ গুলো নিশ্চিহ্ন হবে। ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস পুরো জাতির অস্তিত্ব নির্ধারণ করতে পারে। সমুদ্র উপকুলীয় পর্যটন শিল্প মারাত্বক ভাবে ভেঙ্গে পড়তে পারে।

বিশ্বের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ভারত কি তাদের কার্বন ডাই আক্সাইডের নিঃসরণ কমিয়ে উষ্ণতা ২ ডিগ্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারেনা? পারে। প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন। আই পি সিসির এক গবেষণা বলছে যে তারা ৯৫% ভাগই নিশ্চিত যে, ২১০০ সালের মধ্যে ২ ডিগ্রী তাপমাত্রা বৃদ্ধি ছাড়িয়ে যাবে। তাই তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সচেতন হয়ে বসবাসের উপযোগী পৃথিবী রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

featured image: pbs.org