রসায়ন

কিছু রাসায়নিক ত্বকে লাগলে দাগ পড়ে কেন

“আপনাদের আমি আগেই বলেছি, আমাকেও যে ভয় দেখানো হবে, সে বিষয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম এবং মনে মনে তার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। … রাতের বেলা যতবার বাথরুমে যেতাম ততবারই বাথরুমের বাইরের নবে কয়েক ফোঁটা সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ দিয়ে রাখতাম। …যে ভয় দেখাতে আসছে, সে কোনো কিছু না ভেবেই নবে হাত দিবে। সঙ্গে সঙ্গে তার হাতে দাগ পড়ে যাবে। সিলভার নাইট্রেটের দাগ কঠিন দাগ। সপ্তাহখানেক থাকবেই।” -মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য, হুমায়ুন আহমেদ

সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ হাতে পড়লে কালো দাগ হয়ে যায়। হাতের তালুতে এক চামচ চিনি নিয়ে নাড়াচাড়া করলে কোনো দাগ পড়ে না। কিছু কেমিক্যাল হাতে পড়লে দাগ পড়ে যাচ্ছে, আবার কিছু হাতে নিয়ে বসে থাকলেও কিছু হচ্ছে না। কেন এমন হচ্ছে?

সাধারণভাবে, কোনো রঙিন বস্তু ধরলে সেই রঙ হাত লেগে যেতে পারে। যেমন, মাঠের ঘাসের উপর শুয়ে থাকলে কাপড়ে সবুজ দাগ হয়ে যায়। ঘাসের ক্লোরোফিল আসঞ্জন বলের মাধ্যমে আপনার কাপড়ে লেগে যাচ্ছে, তাই কাপড়েও সবুজ দাগ পড়ছে। একই প্রক্রিয়ায় সদ্য রঙ করা দেয়ালে হাত দিলে হাতে রঙ লেগে যায়।

সব রঙিন বস্তুর ক্ষেত্রেই আবার এমনটি ঘটে না। একটি বাটিতে ডিম ভেঙ্গে রেখে তার মধ্যে হাত দিয়ে রাখলে যতটুকু ডিমের কুসুম হাতে লাগবে, এতে হাত হলুদ হয় না। কারণ যে যে অণুর (Lutein, Zeaxanthin) কারণে ডিমের কুসুম হলুদ দেখায়, তা আপেক্ষিকভাবে অন্যান্য অণুর তুলনায় অনেক বড় বলে ত্বকে লেগে থাকে না।

কিন্তু অণু যদি অনেক ছোট হয়, সেক্ষেত্রে ছোট অণু ত্বকের ছিদ্রে আটকে যেতে পারে। এমনকি ত্বকের সাথে রাসায়নিক বন্ধনও করে ফেলতে পারে। তখন শুধু অনেক পানি দিয়ে ধুলেই হবে না, ত্বকের যে স্তরে ওই রঞ্জক পদার্থ লেগে আছে, ঘষে তুলে ফেলতে হবে।

কিছু কিছু রাসায়নিক পদার্থ আছে, যারা ত্বকের সাথে বিক্রিয়া করে রঙ পরিবর্তন করে। যেমন আমরা শুরুতেই দেখলাম, সিলভার নাইট্রেট ত্বকে কাল দাগ ফেলে। একইভাবে হাতে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ পড়লে হাত বাদামি হয়ে যায়, নাইট্রিক এসিড পড়লে পুড়ে তো যায়ই, পাশাপাশি হলুদ দাগও পড়ে। আর সালফিউরিক এসিডে ত্বক পুড়ে যাবে এবং ত্বকের গঠন ভেঙ্গে পানি বেরিয়ে যাবে, পড়ে থাকবে মৌলিক কালো কার্বন। ফলে পুড়ে যাওয়া ছাড়াও ত্বকে খয়েরি, মরিচা রঙের অথবা কালচে বাদামী রঙের দাগ পড়ে। এসব পদার্থের ক্ষেত্রে কী ঘটছে? সিলভার নাইট্রেট ত্বকের উপরের স্তরের লবনের সাথে বিক্রিয়া করে সিলভার ক্লোরাইডে পরিণত হয়, যা আলোতে ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রুপার কণায় পরিণত হয়। এই রুপার কণা ত্বকের গর্তে আটকে যায়, ফলে কালো দেখায়। এই দাগ সহজে যায় না, এমনকি প্রচুর পানি দিয়ে ধুলেও না।

2 চিত্রঃ হাতে সিলভার নাইট্রেট দ্রবণের কাল দাগ।

আমাদের ত্বকের উপরের স্তর ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে, পুরাতন কোষ মরে ঝরে পড়ছে, নতুন স্তর তার জায়গায় আসছে। সিলভারের দাগ তাই কয়েকদিন পর আপনাআপনি পুরাতন কোষের ঝরে পড়ার সাথে সাথে চলে যাবে।

পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কাপড়, কাগজ আর ত্বকে গাঢ় বাদামী দাগ ফেলে। এই দাগ ঘষে তুলে ফেলা যায় না। যতদিন না ত্বকের উপরের স্তর ঝরে পড়ছে এটি ততদিন পর্যন্ত থাকবে। তাহলে এ ক্ষেত্রে কী ঘটছে? পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট নিজে গাঢ় বেগুনী বর্ণের কঠিন পদার্থ। এই কেমিক্যাল হাতে বা কাপড়ে পড়লে বিয়োজিত হয়ে বাদামী দানাদার ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড (MnO2) উৎপন্ন করে।

4MnO4 (aq) + 4H+ (aq) = 3O2 (g) + 2H2O (l) + 4MnO2 (s)

এই MnO2 এর ক্ষুদ্র ক্রিস্টাল ত্বকের ছিদ্রে আটকে যায়। ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড পানিতে অদ্রবণীয়, তাই পানি দিয়ে ধোয়ার চেষ্টা খুব বেশি ফলপ্রসূ হয় না। তবে এই বাদামী দাগ যদি কাপড়ের উপরে হয়, তাহলে লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রয়োগ করলে ম্যাঙ্গানিজের বর্ণহীন দ্রবণীয় লবন উৎপন্ন হবে, তখন দাগ চলে যাবে।

MnO2 (s) + 4 HCl (aq) = MnCl2 (aq) + Cl2 (g) + 2 H2O (l)

3 চিত্রঃ পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেটের বাদামী দাগ।

খনিজ এসিড, যেমন সালফিউরিক এসিড আর নাইট্রিক এসিড, হাতে পড়লে কেন রঙিন দাগ পড়ে? এই দুই এসিড হাতে পড়লে আসলে কী হয়? অবশ্যই পুড়ে যায়। কিন্ত কেন পুড়ে যাচ্ছে? প্রথমত এই দুই এসিড হলো ক্ষয়কারী পদার্থ এবং এরা জীবন্ত টিস্যুর (ত্বক, মাংস, কর্নিয়া) উপরে পড়লে বিক্রিয়া করে পুড়িয়ে ফেলে। এদের বিধ্বংসী বৈশিষ্ট্যর মূলে আছে অম্ল-ক্ষারক বিক্রিয়া। অ্যামাইড হাইড্রোলাইসিস এবং এস্টার হাইড্রোলাইসিস। প্রোটিন অ্যামাইড হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে হাইড্রোলাইজড হয়ে ভেঙ্গে যায়, যেখানে লিপিড (চর্বি) এস্টার হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে ধ্বংস হয়। এভাবে প্রোটিন এবং ফ্যাট তথা টিস্যু বিনষ্ট হয়। এছাড়া এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় যার ফলে টিস্যু গলে ও পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একে বলে কেমিক্যাল বার্ন।

ঘন সালফিউরিক এসিড ক্ষয়কারী পদার্থ হবার পাশাপাশি শক্তিশালী নিরুদকও। ত্বকে পড়লে প্রথমত অম্লীয় হাইড্রোলাইসিস এর মাধ্যমে টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারপর ত্বকের কোষ থেকে পানি টেনে বের করে আনে, ফলে কোষ পানিশূন্য হয়ে যায়। উল্লেখ্য ত্বকের কোষের ৯০ ভাগই পানি। এই নিরুদন প্রক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, ফলে ত্বকে সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন হয়।

সালফিউরিক এসিড এত শক্তিশালী নিরুদক যে এটি প্রায় সকল জৈব যৌগ থেকেই পানি বের করে আনে। একটি বিকারে চিনি নিয়ে তার মধ্যে ঘন সালফিউরিক এসিড নিয়ে এটি পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। চিনিকে রাসায়নিকভাবে বলা হয় সুক্রোজ, যা মূলত কার্বন, অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন দিয়ে গঠিত (সংকেত C12H22O11)। সালফিউরিক এসিড চিনির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে চিনির অণু থেকে পানি আলাদা করে ফেলে, ফলে কাল কার্বন উৎপন্ন হয়।

C12H22O11 + H2SO4 → 12 C + 11 H2O + পানি এবং এসিডের মিশ্রণ

বাতাসের উপস্থিতিতে এই বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং সালফার ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়।১০ এই বিক্রিয়ায় এত কার্বন উৎপন্ন হয় যে তা বিকার থেকে উপচিয়ে পড়ে। নিচের ইউটিউবের ভিডিও লিঙ্কটিতে গিয়ে এই বিক্রিয়াটা দেখে নিতে পারেন। youtube.com/watch?v=zg9wmU7Z-6s সালফিউরিক এসিড একই প্রক্রিয়ায় কাগজ আর কাঠ থেকে, এবং হাতে পড়লে আপনার ত্বক থেকে পানি বের করে আনবে।

নাইট্রিক এসিড একটি ক্ষয়কারক এসিড এবং শক্তিশালী জারক১১। এই এসিড অম্লীয় হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে জীবন্ত টিস্যু ধ্বংস করে, পাশাপাশি ত্বকে গাঢ় হলুদ বর্ণের দাগ ফেলে। এই হলুদ দাগ Xanthoproteic বিক্রিয়া3 – ত্বকের কেরাটিন প্রোটিনের ফিনাইল গ্রুপের নাইট্রেশনের কারণে হয়। অ্যারোমেটিক অ্যামিনো এসিড যেমন ফিনাইল এলানিন, ট্রিপটোফ্যান, টাইরোসিনে ফিনাইল গ্রুপ আছে। এই হলুদ দাগ (ফিনাইল নাইট্রেট) ক্ষারের উপস্থিতিতে কমলা হয়ে যায়।

5চিত্রঃ হাতের তর্জনীর উপরে নাইট্রিক এসিড পড়ায় সেকেন্ডারি বার্ন ঘটেছে। ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, আশেপাশের চামড়া হলুদ হয়ে গিয়েছে।

ত্বকের উপরে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের লঘু দ্রবণ পড়লে ত্বক সাময়িকভাবে সাদা হয়ে যায়১২। হাইড্রোজেন পার অক্সাইড একটি শক্তিশালী জারক। হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের লঘু দ্রবণ ত্বকে পড়লে Capillary embolism ঘটে, অর্থাৎ ঐ স্থানের কৈশিক- নালীতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের বিয়োজনের ফলে উৎপন্ন হওয়া ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অক্সিজেনের বুদবুদ প্রবেশ করায় সাময়িকভাবে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, ফলে ত্বক সাদা দেখায়। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা পর ত্বক আবার নিজে নিজেই স্বাভাবিক রঙ ফিরে পায়। অর্থাৎ এখানে পার অক্সাইড ত্বককে বিরঞ্জিত করে না, সাময়িকভাবে জারিত করে।

4 চিত্রঃ হাতের উপরে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের ৩৫% জলীয় দ্রবণ পড়ায় আঙ্গুল সাদা হয়ে গিয়েছে।

বোঝা গেল, কিছু রাসায়নিক পদার্থ হাতে পড়লে দাগ পড়ে যেতে পারে, হাতের টিস্যু বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; ত্বক, টিস্যু ভেদ করে রক্তে মিশে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে, এমনকি প্রচণ্ড যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। তাই রান্নাঘর থেকে কেমিস্ট্রি ল্যাব, ভিনেগার থেকে নাইট্রিক এসিড, রাসায়নিক পদার্থ নিয়ে কাজ করার সময় অবশ্যই অতি সাবধানতা মেনে চলা উচিত।

টীকা

১. Adhesive force- ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের অণুর মধ্যেকার আকর্ষণ বলকে আসঞ্জন বল বলে। যেমন ব্ল্যাকবোর্ডে চক দিয়ে দাগ টানলে আসঞ্জন বলের কারণে চক বোর্ডে লেগে থাকে।

২.Chemical Burn- জীবন্ত টিস্যু ক্ষয়কারী পদার্থ যেমন শক্তিশালী অম্ল বা ক্ষারের সংস্পর্শে আসায় ঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং এ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপের ফলে পুড়ে যাওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাকে chemical burn বলে। Chemical Burn কেও সাধারণ Burn এর মতো ভাগ করা করা যায়। তবে সাধারণ Burn আর Chemical Burn এর কিছু পার্থক্য আছে। যেমনঃ ১. এর জন্য তাপের কোনো উৎস না থাকলেও চলে; ২. কেমিক্যালের সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে ঘটতে পারে; ৩. সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে নাও বুঝা যেতে পারে যে ত্বক পুড়ে গিয়েছে; ৪. প্রচণ্ড যন্ত্রণাদায়ক হয়; ৫. ত্বকের উপরিভাগের কোনো ক্ষতি না করে ত্বক ভেদ করে টিস্যুতে প্রবেশ করে টিস্যুর গঠন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

7চিত্রঃ Chemical burn (হাতের উপরে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ পড়ার ৪৪ ঘণ্টা পরে।)

৩. Xanthoproteic reaction
কোনো নমুনায় প্রোটিনের উপস্থিতি নির্ণয় করতে সাধারণত Xanthoproteic reaction করা হয়। এই বিক্রিয়ায় বিকারক হিসেবে গাঢ় নাইট্রিক এসিড ব্যবহৃত হয়। নাইট্রিক এসিড প্রোটিনের সাথে বিক্রিয়া করে হলুদ বর্ণের নাইট্রেটেড প্রোডাক্ট তৈরি করে। এই বিক্রিয়ায় পরীক্ষণীয় বস্তু বা দ্রবণে গাঢ় নাইট্রিক এসিড যোগ করে মিশ্রণটি উত্তপ্ত করা হয়। যদি মিশ্রণে প্রোটিন উপস্থিত থাকে, তবে মিশ্রণ হলুদ বর্ণ ধারণ করে। এই মিশ্রণে এরপর শক্তিশালী ক্ষার, যেমন তরল অ্যামোনিয়া যোগ করা হলে মিশ্রণ হলুদ থেকে কমলা বর্ণের হয়ে যায়। অ্যারোমাটিক অ্যামিনো এসিড যেমন ফিনাইল এলানিন, ট্রিপটোফ্যান, টাইরোসিন এই বিক্রিয়া দেয়। ফিনাইল গ্রুপের নাইট্রেশনের ফলে যে Xanthoproteic acid উৎপন্ন হয় তা হলুদ বর্ণের হওয়ার জন্যই এইধরনের রঙের পরিবর্তন দেখা যায়। ত্বকের আবরণী কোষের উপরে নাইট্রিক এসিড পড়লেও একই প্রক্রিয়ায় হলুদ বর্ণের Xanthoprotein উৎপন্ন হয়, যে কারণে নাইট্রিক এসিড ত্বকে হলুদ বর্ণের দাগ ফেলে।

তথ্যসূত্র

১. www.pdf-archive.com/2014/09/17/misir-alir-amimangsito-rahasya-allbdbooks-com/preview/page/63

২. Why do some chemicals stain your hands? http://questions.sci-toys.com/node/130

৩. Yolk, From Wikipedia, https://en.wikipedia.org/ wiki/Yolk

৪. https://books.google.com.bd/books?id=LRMlBQAAQBAJ

৫. Silver Chloride, From Wikipedia https://en.wikipedia.org/wiki/ Silver_Chloride

৬. How many skin cells do you shed every day? http://antoine.frostburg .edu/chem/senese/101/redox/faq/permanganate-stains.shtml

৭. How does permanganate cause stains? http://antoine.frostburg .edu/chem/senese/101/redox/fag/permanganate-stains.shtml

৮. Corrosive substances

From Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Corrosive_substance

৯. Why does sulfuric acid melt people’s skin? https://answers.yahoo .com/question/index?qid=20080722005356AAPbpjg

১০. http://www.chemeddl.org/alfresco/service/org/chemeddl/ video.html?options=false&ID=vid:5892&guest=true

১১. Nitric acid, From Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Nitric_acid

১২. http://www.beautyclue.com/skin-whitening/can-hydrogen-peroxide-bleach-your-skin-lighten-dark-spots-acne-scars/

 

নাভিদ আহমেদ সাদমান

রসায়ন বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

কিছু রাসায়নিক ত্বকে লাগলে দাগ পড়ে কেন
Comments

কপিরাইট © ২০১৬ জিরো টূ ইনফিনিটি। সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত। Powered by Bintel

.

To Top